মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক:
সোমালিয়ার ভূখণ্ডে কোনো অবস্থাতেই ইসরায়েলের উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
সোমালিয়ার প্রেসিডেন্টের দাবি, ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের বারবেরা শহরে একটি নৌঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি শহরটির বিমানবন্দর ব্যবহারেরও চেষ্টা করছে ইসরায়েল।
সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত স্বঘোষিত রাষ্ট্র সোমালিল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বারবেরা। এডেন উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত শহরটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছাকাছি এবং ইয়েমেনের বিপরীত পাশে অবস্থিত।
হাসান শেখ মোহামুদের ভাষ্য, বারবেরায় ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক ও অবকাঠামোগত উপস্থিতির লক্ষ্য হলো উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইরানের আরও কাছাকাছি পৌঁছানো।
তিনি আরও দাবি করেন, ইসরায়েলের এই উদ্যোগ কথিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ প্রকল্পের অংশ। তবে ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় নীতি নয়। শব্দটি মূলত ইসরায়েলের বর্তমান সীমানার বাইরে আরও বিস্তৃত ভূখণ্ডে দেশটির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন প্রস্তাব ও ধারণাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এসব ধারণার কিছু সংস্করণে নীল নদ থেকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ভূখণ্ডের কথা বলা হয়েছে।
সোমালিয়ার প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বারবেরায় ইসরায়েলের নৌঘাঁটি স্থাপন বা বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পরিস্থিতি স্পষ্ট করতে পারে।